Showing posts with label ENTERTAINMENT. Show all posts
Showing posts with label ENTERTAINMENT. Show all posts

How to deactive and permanently delete your Facebook Account 2022

Facebook has been growing in popularity since its inception in 2004. Currently, in 2022, the number of Facebook users stands at ___. Despite having many competitors, Facebook is still able to retain its popularity.

Facebook is constantly updating their platform. In these updates, many settings have been added and some settings have been sorted from one place to another.

Many people may not be able to find their familiar settings due to customizing a lot at once.

We have to deactivate or delete the account for various reasons (permanently delete)

how-to-deactive-and-permanently-delete-your-facebook-account
How to deactive and permanently delete your Facebook Account


How to deactivate and delete Facebook account?

(With Facebook mobile app)

1. Open the Facebook mobile app.

2. Login to the account you will deactivate.

3. Click on the Three Dot Line menu.

4. Open "Settings and Privacy".

5. Click the Settings tab.

6. Scroll down and open "Profile Access and Control".

7. Here you will find two options.

1. Memorialized setting and 

2. Deactivation and Detetion

>>I will discuss about memorialized account another day.

8. Deactivation and Deletion, click on the menu.

9. If you want to deactivate the account, tick the 'Deactivate account' and click Continue to account Deactivation.

10. If you want to delete the account permanently, mark 'Delete account' and click Continue to account deletion.

11. Now Facebook want to your account password. Press Continue with Password.


How to deactivate and delete Facebook account from desktop (Pc, Laptop)?

1. Open the browser of your choice.

2. Login to the Facebook account.

3. Click on the arrow 🔽 sign on the right side of the top menu bar

4. Open Settings and Privacy.

5. Click on Settings.

6. Then open Privacy.

7. Then click on 'Your Facebook information'.

8. Open 'Account Deactivation and Detetion' below all.

9. Select the one you need. Press Continue.

10. Now continue with the password to confirm your identity.


Important Note:

Your account is now deactivated. Deactivate account can be activated by logging in again.

If you delete the account, it will be permanently deleted within 28 days. Once deleted, the account can no longer be reactivated.


Learn more about deactivation and delete
How to create professional Facebook account by Techlessoner.com

How to Create a Professional Facebook Page 2022

Why delete Facebook account?

Which account should I delete?

Due to its high popularity, many people have multiple Facebook accounts. There are multiple unused accounts, multiple accounts with the same number, these unused accounts or fake accounts may lock your Facebook account. So we need to delete these unnecessary accounts.


Techlessoner.com is a free tech solution website

Read about it in Bangla visit here: কিভাবে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় এবং চিরজীবনের জন্য মুছে ফেলে

যে সাতটি কারণে এখন Used Phone কেনা উচিৎ নয় 

কেন Used Phone এখন কেনা উচিৎ নয়? (৭টি কারন)

যে সাতটি কারণে এখন Used Phone কেনা উচিৎ নয়


আশা করি সবাই ভালো আছেন। এই মুহূর্তে পুরাতন ফোন কেনা একেবারেই উচিত না, তার মূলত সাতটা কারণ রয়েছে। এই সাতটি কারণের মধ্যে নাম্বার ওয়ান কারণটা হলো :


1. এখন যারা ফোন বিক্রি করে, তার মধ্যে কোনো না কোনো কোন প্রকার সমস্যা আছে। এখন সমস্যা ছাড়াই কেউ ফোন সেল করা না। সাধারণত আমরা 

শুনে থাকি যে ফোন বিক্রি করে এক ব্র্যান্ড থেকে আরেক ব্র্যান্ডে কনভার্ট হচ্ছে বা তার পছন্দের ফোন নিতে চাচ্ছে। কিন্তু ফোনের এখন যে উল্টাপাল্টা দাম, এই মুহূর্তে সমস্যা ছাড়া কেউ ফোন বিক্রি করেনা। হতে পারে যে ফোনটা কিনেছে তা ক্যামেরা অত ভালো লাগেনি অথবা কল কোয়ালিটি অথবা নেটওয়ার্কের প্রবলেম হচ্ছে। কারণ এই মুহূর্তে কিন্তু নেটওয়ার্কের প্রবলেম পুরো দেশব্যাপী দেখা দিচ্ছে।

এই দুইটা মেইন কারনে অনেকে ফোন সেল করে। আবার দেখা যাচ্ছে গেমিং তার মন মতো হচ্ছে না। যে কারণে সে ফোনটা সেল করে দিচ্ছে।

খুব বড় একটা ইম্পরট্যান্ট বিষয় সেটা হলো অনেক সময় ফোনগুলোতে সেনসরের সমস্যা দেখা দেয়। নেটের প্রবলেম থাকে, যেমন ধরেন- প্রক্সিমিটি সেনসর অফ দা মোস্ট ইম্পর্টেন্ট সেন্সর । আপনি যখন কারো সাথে কথা বলবেন, আপনি ফোনটা যখন কানে কাছাকাছি আনেন তখন কিন্তু ডিসপ্লে টা বন্ধ হয়ে যায়।অনেক ফোনে দেখা যায় কথা বলা শেষ হয়ে যাওয়ার পরও অনেকক্ষণ ডিসপ্লে অন হয়না। 


2. এরপর হচ্ছে ডিসপ্লে প্রবলেম। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ডিসপ্লেতে চাপ লাগার কারণে ডিসপ্লে সমস্যা হয়। মাঝে মাঝে ডিসপ্লেতে গ্রীন লাইন দেখা যায়।


3. এরপর হচ্ছে ব্যাটারি লাইফ! ব্যাটারির একটা নির্দিষ্ট life-cycle থাকে। সচরাচর একটা ব্যাটারি 500 সাইকেল থেকে 1000 সাইকেল পর্যন্ত হয় থাকে। পুরনো ফোনগুলোতে ব্যাটারির লাইফ সার্কেল কমে যায় / নষ্ট হয়ে যায়। আপনি হয়তো ব্যাটারি চেঞ্জ করার কথা চিন্তা করতে পারেন। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় যে ব্যাটারি চেঞ্জ করতে যেয়ে ফোনে অন্য প্রবলেম তৈরি হয়ে যায়। কারন এখনকার যুগের ফোনটা খুলতে হয় হিট গান দিয়ে, হিট গান গিয়ে গাম খুলে দেন, এতে অনেক সময় ফোনের প্রবলেম হয়, তো আমি মনে করি ব্যাটারি চেঞ্জ করতে হবে এরকম ফোন না কেনাই ভাল।


4. আপনারা যারা পুরাতন ফোন নিতে যাচ্ছেন , মেইনলি 2020 সালের আগের ফোনগুলো। 2020 এর আগের ফোন নেয়া একেবারেই ঠিক হবেনা। সেটা যতই ভালো কনফিগারেশের হকনা কেন। তার কারণ এসব ফোন ব্যাটারি ব্যাকআপ কম দিবে।


5. স্যামসাংয়ের পুরাতন ফোন কখনো আপনারা কিনবে না। কারণ স্যামসাংয়ের ফোনে কোনো প্রবলেম না হলে কেউ সেল করে না। 


6. সর্বশেষ একটা কথা বলব আপনারা কখনোই ইনফিনিক্স, টেকনো, সিম্ফোনি, ওয়ালটন কোম্পানির ফোন সেকেন্ড কিনবেন না এমন হতে পারে কেউ হয়তো গতকালকে কিংবা দুই তিন দিন আগে কিনেছি এখন সেল করে দিচ্ছে সেটা আপনি কিনতে পারেন, সবকিছু জেনে শুনে বুঝে। 

এই ফোনগুলো যখন প্রবলেম হয় তখন এই ফোনে প্রবলেম সলভ করা যায় না। প্রবলেম হলে হতেই থাকে আর সবচেয়ে কমন প্রবলেম হলে এই ফোনগুলোর লেগিংস হতে থাকে। এর থেকে বেটার হয় আপনি যদি অন্য ব্র্যান্ড-নিউ কিনতে পারেন। ভুলেও সেকেন্ডহ্যান্ড ওয়ালটন, সিম্ফোনি, টেকনো, ইনফিনিক্স এই ফোন গুলো আপনারা কিনবেন না। এটা আপনাদের জন্যই ভালো হবে। পসিবল হলে টাকা কিছুটা বাড়িয়ে ব্রান্ড নিউ ফোন কিনতে পারেন। সেকেন্ড হ্যান্ড না কেনাই বাটার এই মুহূর্তে।


7. একটা কথা বলব যদি আপনার পুরাতন ফোন কিনতে চান তাহলে অবশ্যই অবশ্যই  

"সেই ফোনটার অরিজিনাল রিসিপ প্লাস অরিজিনাল বক্স নিবেন। তার সাথে যার থেকে ফোন নিচ্ছেন তার ভোটার আইডি কার্ড টার ফটো কপি ও তার ছবি নিয়ে রাখবেন। সাথেসাথেই তার ভোটার আইডি কার্ড যাচাই করবেন, আসলেই তার রিয়েল আইডি কার্ড নাকি ভুয়া ভোটার আইডি কার্ড দেয় সেটাও চেক করে নিবেন। 

টিকটকের সাথে পাল্লা দিতে বদলে যাচ্ছে ফেসবুক | Facebook New Look

টিকটকের সাথে পাল্লা দিতে বদলে যাচ্ছে ফেসবুক | Facebook New Look


কেমন হচ্ছে নতুন চেহারা?

পাল্টে যাচ্ছে ফেসবুক, বিশ্বের সবচেয়ে বড় সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম। লেগছে পরিবর্তনের হাওয়া। 

জনপ্রিয়তার দৌড়ে টিকে থাকা বলে কথা, 28 জুলাই থেকে ফেসবুকে দেখা যাবে নতুনরূপে আপডেট হচ্ছে নিউজফিড।

সেখানে দেখা মিলবে হোম অফ ইটস নামে দুটি ট্যাবের। আসবে নতুন ভিডিও ফিচার। টিকটক হোমপেজের মত ভার্টিক্যাল ফরমেটে থাকবে পাবলিক ভিডিও। শোয়াইব করলেই সামনে হাজির হবে একের পর এক নতুন কনটেন্ট। ফেসবুক অ্যাপ এ যুক্ত হচ্ছে টিকটকের ফর ইউ এর মত ফিচার, আসবে ফ্রেন্ড লিস্টের বাইরে থাকা ইউজারদের ভিডিও।

গ্রাহকের জন্য থাকবে পৃথক হোমপেইজ, কনটেন্ট সাজাবে মেশিন লার্নিং প্রযুক্তি। হোমস্ক্রিন থেকে দেখা যাবে এবং স্টোরিজ এ থাকবে নতুন স্ট্রিমিং ট্যাব। স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হবে অধিক ব্যবহৃত ফিচার এর সর্টকার্ট। 

ফেসবুকের প্যারেন্ট কোম্পানি মেটা বলছে, ভিডিও কনটেন্ট এর গুরুত্ব বাড়ছে। সোসাল প্লাটফর্ম থেকে ফেসবুক হয়ে উঠবে ডিসকভারি ইঞ্জিন। পেছনের অ্যালগরিদম পরিচালনা করবে ফেসবুকের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স।

তবে আগের মতোই থাকছে ফেসবুক গ্রুপ। নতুন ফিচার যুক্ত করার পাশাপাশি বন্ধ হচ্ছে বিভিন্ন পুরনো সুবিধা। জনপ্রিয়তার বিচারে পতনের সংখ্যায় আছে প্রতিষ্ঠানটি।

2021 সালের শেষ তিন মাসে প্লাটফরমটি হারিয়েছে প্রায় 10 লক্ষ ইউজার। আচ লেগেছে প্যারেন্ট কোম্পানি মেটার। শেয়ারে এক দিনেই তারা লস করেছে 200 মিলিয়ন ডলারের বেশি, অন্যদিকে অবিশ্বাস্য গতিতে বাড়ছে টিকটকের জনপ্রিয়তা। ভবিষ্যৎ সোশ্যাল মিডিয়ায় চলবে টিকটকের একচ্ছত্র রাজত্ব।

মেটার সিইও মার্ক জাকারবার্গ ভাবছেন টিকটক তাদের জন্য মারাত্মক হুমকি। তবে আসন্ন পরিবর্তনের জন্য সমালোচনার মুখে পড়েছে।

ফেইসবুক প্রেমীরা বলছেন, সোশ্যাল প্লাটফরমটি পরিণত হচ্ছে টিকটকের ডুপ্লিকেট হিসেবে। সামাজিক নেটওয়ার্কের আন্তরিক যোগাযোগ মাধ্যম ছিল ফেসবুক। ফেসবুকের মূল বৈশিষ্ট্য এন্টারটেইনমেন্ট। প্ল্যাটফর্মের এসব পরিবর্তন হলে ফেসবুক হারাবে তার মৌলিক চরিত্র।

স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও কনটেন্ট  তরুণ ব্যবহারকারীদের প্রথম পছন্দ। টিকটকের জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ এইসব সর্ট কন্টেন্ট। ফেসবুক এবার অনুসরণ করছে টিকটকের দেখানো পথ, মেটা আশা করছে আবার ফিরবে ফেসবুকের সুদিন।।

হাফিজুল ইসলাম  

কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন? ফ্রিতে ব্লগিং শুরু করার A to Z টিউটোরিয়াল।

কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন? ফ্রিতে ব্লগিং শুরু করার A to Z টিউটোরিয়াল।
Blogger a to z


আমরা সবাই ব্লগিং বলতে বুঝি একটি ওয়েবসাইট থাকবে। সেখানে কিছু পোস্ট, কন্টেন্ট থাকবে + সেগুলো গুগলে সার্চ করে পাওয়া যাবে। গুগল থেকে ভিজিটর আসবে এটাই।
আমরা গুগলে কিছু লিখে সার্চ দিলে অনেক আর্টিকেল গুলো পাই, অনেক আইডিয়া গুলো আমরা দেখতে পাই। ব্লগার তাদের আইডিয়াগুলো আর্টিকেল আকারে প্রকাশ করে থাকেন। এই আর্টিকেল গুলো আমরা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে দেখতে পাই।
বর্তমানে ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য ওয়ার্ডপ্রেস প্রসিব্দ। কিন্তু আজকে ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে আলোচনা করবো না, কারণ ওয়ার্ডপ্রেসে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হলে একটি ডোমেইন ও হোস্টিং নিতে হবে।  যেহেতু আজকে আমাদের টপিক হচ্ছে ফ্রিতে ওয়েবসাইট তৈরি করা। তাই ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে অন্য কোনো আর্টিকেল প্রকাশ করা হবে। কারণ ওয়ার্ডপ্রেসে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হলে আপনাকে প্রায় সবকিছুতেই প্রিমিয়াম অ্যাকসেস নিতে হবে সাথে ডোমেইন হোস্টিং তো কিনতেই হবে।  নতুন হিসবে এগুলো একটু কস্টলি হয়ে যাবে। তাই আজকে কিভাবে ফ্রিতে ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করা যায় সেটা শিখানো হবে।

কিভাবে ফ্রিতে ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয়?

ফ্রীতে ব্লগিং করতে হলে আপনকে ব্লগার ডট কমে একাউন্ট করে নিতে হবে। আর এজন্য আর একটি গুগল একাউন্ট (জিমেইল অ্যাকাউন্ট) থাকতে হবে।

কিভাবে ব্লগ খুলতে হয়?

ফ্রিতে ব্লগ অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য আপনাকে একটি ব্রাউজার ওপেন করে blogger.com এ ভিসিট করতে হবে।
এরপর create blog ক্লিক করতে হবে। এখন আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করতে হবে। নতুন একটি পপআপ উইন্ডোতে ইউজারনেম সহ কিছু তথ্য চাওয়া হবে তা দিতে হবে, তারপর আপনার ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস দিতে হবে। আপনার ওয়েব ঠিকানাটি example.blogspot.com অনুরূপ হবে।
এবার done বাটনে প্রেস করতে হবে।

সেটিংস পরিবর্তন

এখন ব্লগারের মেনু থেকে কিছু সেটিং পরিবর্তন করে নিতে হবে। একটা website description অ্যাড করে নিতে হবে। ওয়েবসাইট রিলেটেড কীওয়ার্ড রিসার্চ করে ডেসক্রিপশন লিখতে হবে, তাহলে ওয়েবসাইট রাঙ্ক করবে।

থিম পরিবর্তন

ব্লগার ওয়েবসাইট তৈরি করার পর ওয়েবসাইটে ব্লগারের একটি ডিফল্ট থিম সেট করা থাকে। এটিকে চেঞ্জ করতে হবে, চেঞ্জ করার জন্য ব্লগার মেনুবার থেকে থিম অপশন এ ক্লিক করতে হবে, তারপর restore ক্লিক করে ডেডিকেটেড থিমটি আপলোড করে নিতে হবে।

লে-আউট পরিবর্তন

থিম আপলোড হয়ে গেলে ব্লগারের মেনুবার থেকে লে আউট অপশন সিলেক্ট করতে হবে। এখান থেকেই ওয়েবসাইটের হেডার, ফুটার এবং সেকশনগুলো চেঞ্জ করতে হয়। ওয়েবসাইটের লোগো তারপর যাবতীয় জিনিসপত্র লেআউট অপশন থেকেই কাস্টোমাইজ করতে হয়।
এই বিষয়ে আমাদের হয়েছে এটি একটি বিস্তারিত পোস্ট আছে আপনারা চাইলে দেখে নিতে পারেন।

সার্চ ইঞ্জিন কানেক্ট ও অপটিমাইজেশন

ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়ে গেলে এবং সেইসাথে কাস্টোমাইজ করা হয়ে গেলে পরবর্তী কাজ হল ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে অ্যাড করো যাতে ভিজিটর সার্চ করলে আপনার ওয়েবসাইটটি পায়।
এদের মধ্যে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন কনসোল বা ওয়েবমাস্টার হচ্ছে গুগল, বিং ও ইনডেক্স ওয়েবমাস্টার। এসব ওয়েবমাস্টারে ওয়েবসাইট সাইটম্যাপ অ্যাড করে নিতে হয়।

মেইন/প্রয়োজনীয় পেজ তৈরি করা

একটি website এর জন্য প্রয়োজনীয় পেজ তৈরি করা খুবই জরুরি। এজন্যে about, contact, privacy Policy, terms and conditions, disclaimer, dmca পেজ গুলো অবশ্যই create করতে হবে।